প্রতিটি বেট, প্রতিটি গেম – সব কিছুতেই পয়েন্ট জমে। Crickex11 ভিআইপি প্রোগ্রামে উঠে আসুন এবং পান ডেডিকেটেড ম্যানেজার, দ্রুত উইথড্রয়াল, এক্সক্লুসিভ ক্যাশব্যাক ও আরও অনেক কিছু।
Crickex11-এ চারটি ভিআইপি স্তর আছে। যত বেশি খেলবেন, তত উঁচু স্তরে উঠবেন এবং সুবিধাও বাড়তে থাকবে।
অনেক প্ল্যাটফর্মে লয়্যালটি প্রোগ্রাম থাকলেও সেগুলো বেশিরভাগ সময়ই জটিল নিয়মকানুনে ভরা। Crickex11-এ বিষয়টা একদম সরল রাখা হয়েছে। আপনি যখনই ডিপোজিট করবেন বা বেট ধরবেন, সেই অনুযায়ী পয়েন্ট জমতে থাকবে। পয়েন্ট জমলেই স্তর বাড়বে, আর স্তর বাড়লেই সুবিধা বাড়বে।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে Crickex11 ভিআইপি প্রোগ্রামটি সাজানো হয়েছে। ময়মনসিংহ থেকে শুরু করে ঢাকা বা চট্টগ্রাম – যেকোনো জায়গার সদস্যরা একই সুবিধা পান। বিকাশ বা নগদে ডিপোজিট করলেও পয়েন্ট কাটা যায় না।
একটা ব্যাপার মনে রাখা দরকার – স্তর প্রতি মাসে রিসেট হয় না। আপনার মোট কার্যকলাপের ভিত্তিতে স্তর নির্ধারিত হয়। অর্থাৎ একবার গোল্ড বা ডায়মন্ড স্তরে উঠলে পরের মাসেও সেটা ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ।
Crickex11 ভিআইপি ক্লাবের সদস্যরা যেসব এক্সক্লুসিভ সুবিধা পান – একনজরে দেখুন।
পয়েন্ট জমানোর পাশাপাশি সেই পয়েন্ট কাজে লাগানোটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। Crickex11-এ জমানো পয়েন্ট দিয়ে বেশ কয়েকটি সুবিধা নেওয়া যায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো পয়েন্টকে সরাসরি বেটিং ক্রেডিটে রূপান্তর করা।
নারায়ণগঞ্জ বা যশোরের খেলোয়াড়রাও একইভাবে পয়েন্ট জমিয়ে সেটা ব্যবহার করতে পারেন। প্ল্যাটফর্মের রিওয়ার্ড সেকশনে গেলে পয়েন্টের ব্যালেন্স দেখা যায় এবং সেখান থেকে রিডিম করা যায়।
মনে রাখবেন, পয়েন্টের মেয়াদ থাকে। সাধারণত ৯০ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করলে পয়েন্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যায়। তাই নিয়মিত রিডিম করে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
চার স্তরের ভিআইপি সুবিধা পাশাপাশি রেখে দেখুন কোনটি আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।
| সুবিধা | ব্রোঞ্জ | সিলভার | গোল্ড | ডায়মন্ড |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৩% | ৭% | ১৩% | ২০% |
| উইথড্রয়াল গতি | সাধারণ | ১৫ মি. | ১০ মি. | ৫ মি. |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | — | — | ||
| জন্মদিন বোনাস | ||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | — | সীমিত | ||
| উচ্চ বেটিং লিমিট | — | |||
| বিশেষ উপহার | — | — | সীমিত | |
| দ্বিগুণ পয়েন্ট ইভেন্ট | — | |||
| মাসিক রিলোড বোনাস | — |
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম নয়। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মের লয়্যালটি প্রোগ্রামগুলো মূলত বিদেশি বাজারের জন্য তৈরি। সেখানে পেমেন্ট পদ্ধতি বাংলাদেশের সাথে মেলে না, ভাষায় সমস্যা হয়, আর সাপোর্ট পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
Crickex11 এই জায়গায় একটু আলাদা। প্ল্যাটফর্মটি শুরু থেকেই বাংলাদেশের বাজারকে গুরুত্ব দিয়েছে। ভিআইপি প্রোগ্রামেও সেটা স্পষ্ট। ক্যাশব্যাক ও পুরস্কারগুলো সরাসরি বিকাশ বা নগদে পাঠানো হয়। ডেডিকেটেড ম্যানেজারের সাথে বাংলায় কথা বলা যায়। ঈদ বা পূজায় বিশেষ অফার আসে – যা বিদেশি প্ল্যাটফর্মে পাওয়া কঠিন।
আরেকটা বিষয় যা অনেকেই পছন্দ করেন – Crickex11 ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার জন্য আলাদা করে আবেদন করতে হয় না। অ্যাকাউন্ট খোলার সাথে সাথেই ব্রোঞ্জ স্তরে অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায়। মানে আপনি প্রথম দিন থেকেই পয়েন্ট জমাতে শুরু করতে পারেন।
অনেক খেলোয়াড় ভিআইপি সুবিধা মিস করেন শুধু কিছু সহজ ভুলের কারণে। সেগুলো জেনে রাখলে আপনি একই ভুল এড়াতে পারবেন।
সবচেয়ে কমন ভুল হলো পয়েন্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগে রিডিম না করা। অনেকে ভাবেন পয়েন্ট জমিয়ে একসাথে বড় পুরস্কার নেবেন – কিন্তু ৯০ দিনের মধ্যে ব্যবহার না করলে সেগুলো মুছে যায়। তাই মাসে একবার হলেও রিওয়ার্ড সেকশন চেক করুন।
দ্বিতীয় ভুলটা হলো শুধু একটা ক্যাটাগরিতে খেলা। ক্রিকেট বেটিং ও লাইভ ক্যাসিনো দুটোতেই খেললে পয়েন্ট দ্রুত জমে। বিশেষ ইভেন্টের সময় দ্বিগুণ পয়েন্ট অফার মিস না করাটাও জরুরি।
তৃতীয় ভুলটা হলো ডেডিকেটেড ম্যানেজারের সুবিধা না নেওয়া। গোল্ড বা ডায়মন্ড স্তরে উঠলে একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার থাকেন যিনি আপনার জন্য বিশেষ অফার খুঁজে দিতে পারেন। অনেকেই এই সুবিধার কথা জানেন না বা ব্যবহার করেন না।
Crickex11 ভিআইপি প্রোগ্রাম বিনোদনকে আরও মজাদার করতে তৈরি। তবে মনে রাখা দরকার, ক্যাশব্যাক বা পয়েন্টের লোভে বাজেটের বাইরে খেলা ঠিক না। প্রতি সপ্তাহে বা মাসে নিজের জন্য একটা খরচের সীমা ঠিক রাখুন এবং সেটার মধ্যে থেকেই ভিআইপি সুবিধা উপভোগ করুন।
Crickex11 প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুযোগ আছে। এটা ব্যবহার করলে নিজেই নিজের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। দায়িত্বশীল খেলার আরও তথ্যের জন্য প্ল্যাটফর্মের সংশ্লিষ্ট পেজটি দেখুন।
Crickex11 ভিআইপি প্রোগ্রাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর।